Press Release: “I am Bangladesh: Children’s Empowerment Art Project” Workshop- at Gallery Twenty One.

icon_10_generic_list.png_DSC0100.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0101.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0104.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0106.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0109.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0110.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0111.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0112.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0114.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0118.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0122.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0123.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0124.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0126.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0127.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0128.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0129.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0130.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0133.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0134.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0135.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0136.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0137.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0139.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0140.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0142.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0143.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0144.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0148.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0149.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0150.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0151.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0152.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0153.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0154.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0155.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0156.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0157.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0166.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0167.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0169.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0170.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0171.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0172.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0173.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0174.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0175.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0179.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0180.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0181.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0183.jpg
​​icon_10_generic_list.png_DSC0188.jpg

SMDF Press media.docx

SMDF Press media.pdf

Advertisements
Posted in Uncategorized | Leave a comment

1st Solo Painting and Craft Exhibition ‘Beautiful Anger’ by artist Rubina Akhter at Gallery Twenty One

This gallery contains 16 photos.

Gallery | Leave a comment

1st Solo Painting and Craft Exhibition ‘Beautiful Anger’ by artist Rubina Akhter at Gallery Twenty One

This gallery contains 21 photos.

Gallery | Leave a comment

1st Solo Painting and Craft Exhibition ‘Beautiful Anger’ by artist Rubina Akhter at Gallery Twenty One

PRESS RELEASE.pdf

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Group Exhibition

Now going on group exhibition.
The exhibition will remain open from 26 January to 2 Feb 2018, daily from 12 pm to 8 pm

Posted in Uncategorized | Leave a comment

শামীম সুব্রানার প্রথম একক চিত্র প্রদর্শন ী

ফায়হাম ইবনে শরীফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2016-01-18 15:39:08.0 BdST Updated: 2016-01-18 16:46:58.0 BdST

PreviousNext

ঢাকার ধানমণ্ডির গ্যালারি টোয়েন্টি ওয়ানের আয়োজনে ও আর্টকনের সার্বিক সহযোগিতায় ৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই গ্যালারি।
দীর্র্ঘদিন ধরে শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করছেন শামীম সুব্রানা। শিল্পীদের জন্য কাজ করতে গিয়ে কিংবা ব্যক্তিগত কারণেই হোক না কেনো, নিজের শিল্পী সত্তাটাকে একরকম চাপা দিয়েই রেখেছিলেন তিনি।

২০০৫ সালে অবশ্য একবার প্রদর্শনি করবার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে মর্মান্তিক এক ঘটনায় নিজের ছেলেকে হারানোর পর, সেইবার নিজের শিল্পকর্ম নিয়ে কোনো প্রদর্শনী করেননি তিনি। মাঝে বেশ কিছু দলীয় প্রদর্শনীতে অংশ নিলেও, দর্শকদের কাছে এবারই প্রথম শুধু নিজের কাজ নিয়েই হাজির হলেন সুব্রানা।
২৩ দিনের এই প্রদর্শনীতে শিল্পীর মোট ৪১টি কাজ প্রদর্শিত হচ্ছে। অধিকাংশ কাজই করেছেন অ্যাক্রেলিক মাধ্যম ব্যবহার করে। যদিও মিশ্র মাধ্যমে কয়েকটি ছবি এঁকেছেন।

শিল্পীর সঙ্গে কথায় কথায় জানা গেল, ২০০৭ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে করা শিল্পচর্চারই একটি প্রতিফলন ‘হোয়াট আই টক অ্যাবাউট ওয়েন আই টক অ্যাবাউট লাইফ’ শিরোনামের প্রদর্শনীটি।

শিল্পীর ভাষায়, “নিজের কাজে আমি কখনও সন্তুষ্ট হতে পারি না। তাই প্রদর্শনী করা হয়নি।”

বিমূর্ত ধারায় শিল্পচর্চা করেন শিল্পী শামীম সুব্রানা। তার কাজে নানা রকম রংয়ের পাশাপাসি রেখা আর অবয়বের ব্যবহার বেশ জোরালো।

সমসাময়িককালে, বাংলাদেশে যে ধরনের বিমূর্ত শিল্পচর্চা হয়, সে জায়গায় একটু হলেও ভিন্নতা আছে শিল্পী সুব্রানার ফর্মে। উজ্জ্বল রংয়ের মাঝে টানা রেখার আস্ফালন কোনো কোনো ক্ষেত্রে ‘ক্যালিগ্রাফিক লাইন’য়ের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে।

পাশাপাশি ‘ফোর গ্রাউন্ডে’ জোরালো রংয়ের মাঝেও যেভাবে ‘মিড টোন’কে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আলাদাভাবে দৃশ্যমান করেছেন সেটাও বর্তমান সময়ে খুব একটা দেখা যায় না।

‘টেক্সচার’ কখনও কখনও প্রাচ্য থেকে উড়ে ঘুরে বেড়িয়েছে মধ্য প্রাচ্যে এমনটাও মনে হতে পারে।

তবে যে জায়গায় সবার থেকে ব্যতিক্রম শিল্পী সুব্রানা তা হল ছবির পরিচিতি দেয়ায়।

‘সার্কেল অব লাইফ’, ‘দ্যা লাইট ইনসাইড আস’, র‌্যাডিকল থটস’, ‘রোড নাম্বার থার্টি টু’, ‘আরবানাইজেশন’, ‘কনসেনশাস’, ‘চাইল্ড ম্যারেজ’, ‘মাইগ্রেশন’, ‘মুনলিট সোনাটা’ – প্রতিটি ছবিকে এভাবে নাম দেওয়ার পাশাপাশি ছবি সম্পর্কে দু-একটি কথাও তুলে ধরেছেন শিল্পী।

এ প্রসঙ্গে শিল্পী বলেন, “আসলে আমি ইচ্ছা করেই নাম আর ক্যাপশন দিয়েছি। কারণ অনেকেই হয়তো বুঝতে পারে না, সুতরাং কাজের সঙ্গে যোগাযোগটা তৈরি হয় না। এই যেমন আমার কাজ নিয়ে এখন মানুষ বিভিন্ন রকম কথা বলছে আমাকে, এটা তো ছবি একেবারেই না বুঝে বলতে পারত না।”

এছাড়া ছবি আঁকতে গিয়ে সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়কেও প্রাধাণ্য দিয়েছেন শিল্পী শামীম সুব্রানা। এ কারণেই, প্রদর্শিত ছবির মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় – গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ড, মক্কায় হজ্জ্ব যাত্রীদের দূর্ঘটনার মতো নানান সামাজিক অনুসঙ্গ।

তবে শুধু ছবি আঁকার মধ্য দিয়েই নয়, পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গেই সামাজিক মূল্যবোধ ও চাহিদার কথা মাথায় রেখেছেন শিল্পী। যে কারণে, এই প্রদর্শনী থেকে উপার্জিত পুরো অর্থই কাজে লাগাবেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য, এমন ঘোষণাও দিয়ে রেখেছেন।

নিজের ছেলের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘শাবাব মুরশিদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন’য়ের মাধ্যমে ৬০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জীবন পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা তিনি করছেন।

গ্যালারি টোয়েন্টি ওয়ানের ঠিকানা: ৭৫১, সাত মসজিদ রোড (১১ তলা), ঢাকা ১২০৫।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

সুব্রানার রং-রেখায় জীবন

চারুশিল্প

সুব্রানার রং-রেখায় জীবন

জাহিদ মুস্তাফা | আপডেট: ০১:০৪, জানুয়ারি ১৫, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

০Like

‘স্মৃতিতে’, শিল্পী: শামীম সুব্রানাগত শতকের আশির দশকের শিল্পী শামীম সুব্রানা এই প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী করলেন ঢাকার ধানমন্ডির ‘গ্যালারি টোয়েন্টি ওয়ান’-এ। ২০১১ সাল থেকে ২০১৫—এই পাঁচ বছরে অ্যাক্রিলিক ও মিশ্র মাধ্যমে আঁকা শিল্পীর ৪১টি ছবি নিয়ে এ আয়োজন। প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘হোয়াট আই টক অ্যাবাউট, হোয়েন আই টক অ্যাবাউট লাইফ’ বা ‘আমি কী বলি, যখন আমি জীবনের কথা বলি’। প্রদর্শনীটি আয়োজিত হয়েছে শিল্পীর অকালপ্রয়াত সন্তান, অধ্যাপক খান সরওয়ার মুরশিদের দৌহিত্র সাবাব মুরশিদের জন্মদিন স্মরণে। ২০০৫ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে কম্বোডিয়ার নমপেনে নিজের বিদ্যালয়ে বাস্কেট বল খেলার সময় আকস্মিক অসুস্থ হয়ে মারা যায় সাবাব।
পুত্র হারানোর শোকে-অভিমানে কয়েক বছর ছবি আঁকা থেকে দূরে ছিলেন সুব্রানা। তবে পুত্রকে স্মরণ করেই আবার রং-তুলি ও ক্যানভাসের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন। ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রং ও মিশ্র মাধ্যমে নির্বস্তুকভাবে নিজের দেখা ও অনুভবকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রদর্শিত ছবি বিক্রির অর্থ দেওয়া হবে সাবাব মুরশিদ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের তহবিলে।
শামীম সুব্রানার ছবির দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই বিচিত্র বর্ণ ও আলোর উদ্ভাস। বাইরের দেখাকে নিজের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে অন্য রকমভাবে প্রকাশে আগ্রহী যে শিল্পী দল, সুব্রানা সেই দলের একজন। নানা রঙের বুননে নিজের মনোভূমির মানচিত্র গড়েছেন তিনি। বস্তুনিরপেক্ষতার পথে পা বাড়িয়েছেন বলে তাঁর শিল্পাভিযাত্রায় শিল্পোপাদানের প্রাধান্য বিধৃত। তা সত্ত্বেও সুব্রানার চিত্রকর্মে আমরা অবলোকন করি সংক্ষুব্ধ সময়ের স্মারক, ব্যক্তিগত দুঃখ, সামাজিক-রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কষ্টদায়ক নানা ঘটনা। শুধু কি তা-ই, এসব নিয়ে শিল্পীর খেদও প্রকাশিত তাঁর চিত্রমালায়।
কিশোর বয়সে বাবার মৃত্যু, কিশোর-বয়সী সন্তান হারানো, সপরিবারে জাতির পিতা হত্যার নারকীয়তা, তাজউদ্দীন আহমদসহ জাতীয় চার নেতা হত্যার নিষ্ঠুরতা, নদীমাতৃক দেশে নদীর মৃত্যু, কাবা শরিফে কয়েক হাজার হাজির মৃত্যু—এসব ঘটনা শোকাচ্ছন্ন করেছে শামীম সুব্রানাকে। হৃদয়ের রক্তক্ষরণের এই বেদনা ও কষ্ট বিচিত্র রঙের বিন্যাসে চিত্রপটে তুলে ধরেছেন তিনি। ফলে, একেকটি ক্যানভাসের রং-রেখার মধ্যে পাওয়া যায় অনেক গল্প। যেমন ‘স্মৃতিতে’ শিরোনামে কাবা শরিফে হাজিদের মৃত্যু নিয়ে আঁকা ছবিতে দেখা গেল, ক্যানভাসের কেন্দ্রস্থলে কালো বর্গাকার গড়ন স্থাপন করেছেন সুব্রানা এবং এর চারদিকে হজযাত্রীদের সাদা পোশাকের রং ভারীভাবে লেপন করে চিত্রপটের নিচের দিকে যেন তুলে ধরেছেন রক্তের ধারা। দর্শকের মধ্যে আর্দ্র অনুভূতির জন্ম দেয় এ ছবি।
অন্যদিকে, ‘জাতীয়তাবাদের মৃত্যু’ শিরোনামে ছবিতে সবুজ রঙের বিপরীতে এমনভাবে লাল রঙের প্রয়োগ করা হয়েছে, এটি যেন রাজনৈতিক কারণে যেসব রক্তপাত ঘটেছে, শেষাবধি হয়ে উঠেছে তার প্রতীক।
এ প্রদর্শনীর একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো, দর্শকের উপলব্ধির জন্য চিত্রসন্নিহিত শিরোনাম-কার্ডে নিজের কাজের ব্যাখ্যা যুক্ত করেছেন শিল্পী। ফলে, শিল্পীর অনুভব ও প্রকাশের ধরনের সঙ্গে দর্শকের সরাসরি সংযোগ ছবি বোঝার ক্ষেত্রে দিয়েছে বাড়তি সুবিধা।
জীবন এক জটিল ঘূর্ণাবর্ত। দুঃখ-বেদনা-শোক আর আশা-আনন্দ নিয়েই মানুষের জীবন আবর্তিত। এ জন্য কি দুঃখের সাগরে নেয়ে উঠে আবার আশায় বুক বেঁধেছেন সুব্রানা? যা-ই হোক না কেন, কল্পনা ও সুন্দরের ধ্যানে সুব্রানার চিত্রপটে ঝরনার মতো নেমে এসেছে মনোহরণকারী বর্ণিল এক আনন্দ। সেই আনন্দের নাম হতে পারে ‘জীবন’।
৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত।

Posted in Uncategorized | Leave a comment